ভয়ংকর ‘বাদশা বাবু’র গন্তব্য এখন ঢাকায়
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৫-০৫-২০২৬ ০২:৫৪:৫২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৫-০৫-২০২৬ ০২:৫৪:৫২ অপরাহ্ন
ফোকাস বাংলা নিউজ
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কোরবানির আলোচিত দুটি গরুর গন্তব্য এখন ঢাকায়। গাববাড়িয়া স্লুইসগেট সংলগ্ন এলাকার খামারি ইব্রাহিম হাওলাদারের খামারে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা বিশাল আকৃতির গরু দুইটি তিনি ঢাকায় নিয়ে গেছেন। এই খামারি গরু দুটির নাম রেখেছেন ‘ভয়ংকর’ ও ‘বাদশা বাবু’। ইব্রাহিম হাওলাদার গরু দুটির দাম চেয়েছেন ১৬ লাখ টাকা। দূর-দূরান্তের ক্রেতা পাইকাররা কয়েকদিন তার বাড়িতে আসলেও শেষ পর্যন্ত বিক্রি করতে পারেননি। এ নিয়ে খামারি ইব্রাহিমের বিক্রি না হওয়ার এক ধরনের শঙ্কাও রয়েছে।
তিনি জানান, ফ্রিজিয়ান জাতের কালো রঙের ‘ভয়ংকরের’ দাম চেয়েছেন ৯ লাখ টাকা। এটির ওজন প্রায় ১৮ মণ। আর শাহিওয়াল জাতের কালো ডোরাকাটা রঙের ‘বাদশা বাবুর’ দাম হাকিয়েছেন ৭ লাখ টাকা। এটির ওজন প্রায় ১৭ মণ।
ইব্রাহিম দাবি করেন, তিনি গরু দুটিকে মোটাতাজাকরণের কোন ক্ষতিকর পদ্ধতি নেননি। কৃত্রিম কোন পদ্ধতি অবলম্বন করেননি। চারটি বছর লালন-পালনে তিনি এ পর্যন্ত প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। ভুট্টার সাইলেজ, কাঁচা ঘাস, খড়-কুটা, ভুসিসহ রুচিবর্ধক খাবার খাইয়েছেন। পরিবারের সদস্যদের মতো লালন করেছেন।
খামারের কর্মচারী সোলেমান জানান, নিয়মিত গোসলসহ পরিচর্যা করতে হয়েছে। খাবারের দিক আলাদা নজড় দিতে হয়েছে। ন্যায্যদামে বিক্রির আশা করছেন তিনি।
ইব্রাহিমের পড়শি যুবক মো. সিয়াম জানালেন, গরু দুটি দেখতে খুব সুন্দর। ভালো দামে বিক্রি হবে বলে তিনি আশাবাদি।
ওখানকার পশু চিকিৎসক আহসান হাবিব জানালেন, তিনি গরু দুটির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেছেন। গরু দুটি শতভাগ সুস্থ রয়েছে। শারীরের গঠনও আকর্ষণীয় বলে তার দাবি।
খামারি ইব্রাহিম হাওলাদার আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, এই কোরবানির ঈদে গরু দুটি ভালো দামে বিক্রি করতে পারলে তার সকল পরিশ্রম স্বার্থক হবে। তিনি সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য ক্রেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন। করে তিনি তার দীর্ঘ চার বছরের শ্রমের সার্থকতা খুঁজে পাবেন। তবে গরু দুটির জন্য আলাদা মায়া জমে আছে, ছেড়ে যাওয়ার অন্য ধরনের এক আকুলতা কাজ করছে বলে ইব্রাহিম হাওলাদারের মন্তব্য।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স